Conditions Hero Background

আমরা যেসব রোগের চিকিৎসা করি

গলব্লাডার, লিভার, বাইল ডাক্ট ও প্যানক্রিয়াসের রোগ প্রায়ই খুবই সাধারণ লক্ষণ দিয়ে শুরু হয় — জন্ডিস, পেটে ব্যথা বা রিপোর্টে সামান্য অসঙ্গতি।

!

জরুরি সতর্কতা: কখন অবিলম্বে ইমার্জেন্সি কেয়ার নেবেন

নিচের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন (সাধারণ চেম্বার অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য অপেক্ষা করবেন না):

  • পেটে তীব্র, অসহ্য ব্যথা যা সময়ের সাথে বাড়ছে এবং স্থির থাকা অসম্ভব করে তুলছে
  • জন্ডিস বা পেটে ব্যথার সাথে তীব্র জ্বর আসা
  • রক্তবমি হওয়া অথবা আলকাতরার মতো কালো মলত্যাগ করা
  • চোখ-ত্বক হলুদের সাথে হঠাৎ তীব্র মানসিক বিভ্রান্তি বা অতিরিক্ত অচেতন ভাব আসা
Jaundice Banner

উপসর্গ ১: শরীর বা চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া (জন্ডিস)

কী হতে পারে: বাইল ডাক্ট (পিত্তনালী) বন্ধ হয়ে যাওয়া (গলব্লাডারের পাথর বা নালীর সংকোটনের কারণে), ভাইরাল হেপাটাইটিস, লিভারের ক্ষতি, অথবা জটিল ক্ষেত্রে নালীর পাশে প্যানক্রিয়াসের টিউমারের চাপ সৃষ্টি হওয়া।

কেন অবিলম্বে ব্যবস্থা নেবেন: জন্ডিস কখনোই অবহেলা করার বিষয় নয়। এটি ইঙ্গিত করে যে বাইল বা পিত্তরস স্বাভাবিকভাবে প্রবাহিত না হয়ে রক্তে মিশে যাচ্ছে। এর সঠিক কারণ দ্রুত নির্ণয় করা অত্যন্ত জরুরি, অন্যথায় তা মারাত্মক ইনফেকশন বা লিভারের ক্ষতি করতে পারে।

শরীর বা চোখ হলুদ হয়ে যাচ্ছে? এখনই কল করুন →
Gallstones Banner

উপসর্গ ২: পেটের উপরের দিকে তীব্র ব্যথা (বিশেষ করে খাওয়ার পরে)

কী হতে পারে: গলব্লাডারে পাথর (Gallstones), গলব্লাডারের তীব্র প্রদাহ (Cholecystitis), অথবা পিত্তনালী অবরুদ্ধ হওয়া। বিশেষ করে চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পর ডানদিকের পাঁজরের নিচে তীব্র ব্যথা হওয়া এবং তা পিঠের দিকে ছড়িয়ে পড়া এ রোগের সাধারণ লক্ষণ।

কেন অবিলম্বে ব্যবস্থা নেবেন: চিকিৎসা না করানো গলব্লাডারের পাথর স্থানচ্যুত হয়ে প্যানক্রিয়াটাইটিস (অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ) বা গলব্লাডার ফেটে যাওয়ার মতো মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে, যা একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি।

পেটে ব্যথার কারণ নির্ণয় করান →
Liver Tumor Banner

উপসর্গ ৩: আলট্রাসনো, সিটি বা এমআরআই রিপোর্টে "মাস", "সিস্ট" বা "লেশন" পাওয়া গেছে

কী হতে পারে: আপনার লিভার, প্যানক্রিয়াস বা বাইল ডাক্টে অপ্রত্যাশিত কোনো মাংসপিণ্ড বা তরলপূর্ণ থলি দেখা যাওয়া। এটি সাধারণ নিরীহ সিস্ট বা হেমাঙ্গিওমা থেকে শুরু করে জটিল টিউমারও হতে পারে। প্রকৃত অবস্থা বুঝতে রিপোর্ট ও ইমেজিং নিয়ে বিশেষজ্ঞ সার্জনের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

কেন অবিলম্বে ব্যবস্থা নেবেন: অনেক রোগী ভয়ের কারণে রিপোর্ট দেখাতে দেরি করেন। কিন্তু দ্রুত পরীক্ষা ও রোগ নির্ণয় একদিকে যেমন ভালো নিশ্চিত করে আপনার মানসিক শান্তি ফিরিয়ে আনে, অন্যদিকে জটিল কিছু হলে সফল চিকিৎসার সুযোগ তৈরি করে।

আপনার রিপোর্ট ও স্ক্যান দেখান →
Pancreas Banner

উপসর্গ ৪: হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া + পেটে বা পিঠে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা

কী হতে পারে: ৪০ বছরের বেশি বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে এই দুটি উপসর্গের সহাবস্থান প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয়ের রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে, যার মধ্যে প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারও অন্তর্ভুক্ত। রোগটির শুরুর লক্ষণগুলো খুব মৃদু হওয়ায় অনেক সময় তা সাধারণ গ্যাস্ট্রিক বলে অবহেলা করা হয়।

কেন অবিলম্বে ব্যবস্থা নেবেন: প্যানক্রিয়াসের রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে সফল চিকিৎসা নিশ্চিত করা অনেক সহজ হয়। ডা. পাত্রের আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা মূলত প্যানক্রিয়াস ক্যান্সার আগেভাগে সনাক্তকরণের ওপর আধারিত।

এই লক্ষণগুলোকে গ্যাস্ট্রিক ভেবে এড়িয়ে যাবেন না →
Gallbladder Banner

উপসর্গ ৫: দীর্ঘস্থায়ী বদহজম, পেট ফাঁপা বা খাওয়ার পর ভারী লাগা

কী হতে পারে: দীর্ঘস্থায়ী বদহজম বা চর্বিযুক্ত খাবার সহ্য করতে না পারা গলব্লাডারের অকার্যকারিতা বা লিভারে ক্রমবর্ধমান টিউমারের চাপের কারণে হতে পারে, যা আপনার পরিপাক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে।

বদহজমের সঠিক কারণটি জানুন →
Liver Cancer Banner

উপসর্গ ৬: লিভার ক্যান্সার (HCC) বা লিভার টিউমার ধরা পড়েছে

কী হতে পারে: লিভারের প্রধান ক্যান্সার (Hepatocellular Carcinoma) বা শরীরের অন্য অংশ থেকে লিভারে ছড়িয়ে পড়া টিউমার, যার জন্য দ্রুত বিশেষায়িত সার্জারি বা লিভার কাটার (Resection) সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হতে পারে।

কেন ডা. পাত্র: লিভার অপারেশনের পর রোগীর মাংসপেশি হ্রাসের প্রভাব নিয়ে ডা. পাত্রের চলমান গবেষণা আপনার চিকিৎসা ও সার্জারি পরিকল্পনাকে বিশ্বমানের আধুনিক নিয়মানুযায়ী সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।

বিশেষজ্ঞ সার্জনের মতামত নিন →
Second Opinion Banner

উপসর্গ ৭: অপারেশনের পর সুস্থ হচ্ছেন, বা সেকেন্ড অপিনিয়ন প্রয়োজন

কী হতে পারে: আপনি অন্য কোথাও চিকিৎসা করিয়েছেন কিন্তু সার্জারির সিদ্ধান্তটি নিশ্চিত করতে চান, অথবা অপারেশনের পর জটিলতা দেখা দিয়েছে — সে ক্ষেত্রে সেকেন্ড অপিনিয়ন নেওয়া চিকিৎসাক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও সঠিক সিদ্ধান্ত। ডা. পাত্রের কাছে আপনার স্ক্যান ও রিপোর্ট নিয়ে এসে পরামর্শ নিতে পারেন।

সার্জারির আগে সেকেন্ড অপিনিয়ন নিন →

লক্ষণ যাই হোক না কেন, প্রথম পদক্ষেপ হলো কথা বলা

রোগ নির্ণয় না হয়ে থাকলেও চিন্তা করবেন না। আপনার সমস্যাটি আমাদের জানান, রিপোর্ট থাকলে শেয়ার করুন, আর হেপাটোবিলিয়ারি সার্জন ডা. পাত্রের টিমের কাছ থেকে সঠিক নির্দেশনা বুঝে নিন।

সরাসরি কল করুন হোয়াটসঅ্যাপে জানান